১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র ভূখন্ডকে বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়।
এম এ জি ওসমানী (সর্বাধিনায়ক)
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার (উপ প্রধান সেনাপতি)
লে.কর্নেল আবদুর রব(উপ প্রধান সেনাপতি)
১নং সেক্টর
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত
সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) (এপ্রিল- জুন)
সেক্টর কমান্ডার মেজর রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম) (জুন - ডিসেম্বর)
২নং সেক্টর
নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ
সেক্টর কমান্ডার মেজর এ.টি.এম হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)
সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম) (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর)
৩নং সেক্টর
সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা, কিশোরগঞ্জ মহকুমা, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে কুমিল্লা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ
সেক্টর কমান্ডার মেজর কেএম শফিউল্লাহ (বীর উত্তম) (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর),
সেক্টর কমান্ডার মেজর এ.এন.এম নুরুজ্জামান (বীর উত্তম) (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)
৪নং সেক্টর
সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে পূর্ব ও উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক পর্যন্ত
সেক্টর কমান্ডার মেজর জে: সি আর দত্ত (বীর উত্তম)
৫নং সেক্টর
সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সিলেট জেলার সমগ্র উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চল
সেক্টর কমান্ডার মেজর মীর শওকত আলী (বীর উত্তম)
৬নং সেক্টর
সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা
উইং কমকান্ডার খাদেমুল বাশার
৭নং সেক্টর
দিনাজপুর জেলার দক্ষিনাঞ্চল, বগুড়া, রাজশাহী এবং পাবনা জেলা
সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হক ( অগাস্ট পর্যন্ত )
সেক্টর কমান্ডার মেজর কাজী নুরুজ্জামান (বীর উত্তম)
৮নং সেক্টর
সমগ্র কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা, ফরিদপুরের অধিকাংশ এলাকা এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়কের উত্তরাংশ
সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু ওসমান চৌধুরী (এপ্রিল- আগস্ট),
সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ মুঞ্জুর (বীর উত্তম) (আগস্ট-ডিসেম্বর)
৯নং সেক্টর
দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনার দক্ষিনাঞ্চল এবং সমগ্র বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা
সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল মিঞা (এপ্রিল-ডিসেম্বর প্রথমার্ধ),
সেক্টর কমান্ডার মেজর জয়নুল আবেদীন ( ডিসেম্বর এর অবশিষ্ট দিন)
১০নং সেক্টর
কোনো আঞ্চলিক সীমানা নেই। নৌবাহিনীর কমান্ডো দ্বারা গঠিত। শত্রুপক্ষের নৌযান ধ্বংসের জন্য বিভিন্ন সেক্টরে পাঠানো হত।
১১নং সেক্টর
কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এবং নগরবাড়ি-আরিচা থকে ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদী ও তীর অঞ্চল
সেক্টর কমান্ডার মেজর আবু তাহের (বীর উত্তম) (আগস্ট-নভেম্বর),
সেক্টর কমান্ডার স্কেয়াড্রন লিডার হামিদুল্লাহ (নভেম্বর-ডিসেম্বর)
টাংগাইল সেক্টর
সমগ্র টাংগাইল জেলা ছাড়াও ময়মনসিংহ ও ঢাকা জেলার অংশ
কাদের সিদ্দিকী।
সেক্টর কমান্ডার ফোরাম
মন্তব্য করুন
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করা সেক্টর কমান্ডার
তারিখ:
4/30/2008
অনুসন্ধান
বিভাগ
- একুশে ফেব্রুয়ারী (2)
- কবিতা (5)
- ক্রিকেট (6)
- গান (2)
- চলচ্চিত্র (2)
- ছেলেবেলা (5)
- ছোট গল্প (5)
- প্রবাস জীবন (12)
- প্রযুক্তি (5)
- বাংলাদেশ (8)
- ভ্রমন কাহিনী (3)
- মুক্তিযুদ্ধ (7)
সাম্প্রতিক পোষ্ট
সাম্প্রতিক মন্তব্য
- ইরতেজা ভাই, আপনার সাইটটি দারুণ লাগলো! চমৎকার সাজিয়... - মুকুল
- hello. - Nuzrah Jamal
- ইরতেজা ভাই, নতুন লেখা কই ? - toxoid_toxaemia
- ওহে বালক! আমার url তো দেয়া আছে! :P: P - রাশেদ
- আর পরের পর্ব! :( - রাশেদ
পূর্ববর্তী লেখা






0 টি মন্তব্য:
আপনার মন্তব্য লিখুন
কিছু এইচটিএমএল কোড ব্যবহার করতে পারেন।