
আজকাল কেন যেন কিছুই লিখতে পারি না। ব্লগে প্রথম লাইন লিখতে না লিখতে মনে হয় এক কাপ গরম কফি বানিয়ে আনি তাহলে হয়ত লেখার ভাব আসবে। প্রথম প্যারাগ্রাফ শেষ হতে না হতে অনুভব করি খুব ঠাণ্ডা লাগছে রুমে হিটার চালু করি। দশ বারো মিনিট হতে না হতে মনে হয় দূর কি সব ছাইপাস লিখছি, যাই টিভিতে ফুটবল দেখি। কলিংউড আর সিডনী খেলা হচ্ছে। এক কোয়ার্টার খেলা দেখে আবার না হয় লিখতে বসব। এভাবে আমার আর ব্লগ লেখাই হয় না। একজন বিপদে সাহায্য হাত বাড়াল। উপদেশ দিল কঠিন বিষয় নিয়ে লিখতে গেলেই এমন হয় তার চেয়ে বরং আসে পাশের তুচ্ছ তুচ্ছ বিষয় নিয়ে লেখ। দেখ কেমন সুড়সুড় করে লেখা বের হচ্ছে। তাই আমিও এখন থেকে বেশি বেশি তুচ্ছ হালকা বিষয় নিয়ে লিখব ভাবছি । আজ থেকেই শুরু করি। দেখি লেখা কোথায় গিয়ে শেষ হয়।
দৈনন্দিন জীবনে ইণ্টারনেট থাকায় খুব সুবিধা হয়েছে। সারা পৃথিবীর যে কোন খবর তাক্ষনিক ভাবে জেনে যাই। সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন এমনকি রেডিও CNN, ABC, Channel 10 যে খবর দেখানো হয়নি সেই গরম খবর নেটের মাধ্যমে সবার আগে জেনে ফেলি। তারপরেও নেটে যাই শুনব তার সব কিছু কিন্তু সত্য নয়।
নেটে প্রাঙ্ক বা বোকা বানানো খুব সাধারণ ঘটনা। বিশেষ করে এপ্রিল মাসের প্রথম তারিখ কে কাকে কীভাবে বোকা বানাবে সেই জন্য সবাই উঠে পড়ে লাগে। ব্যক্তি জীবনের আমি নিজে চরম বোকা মানুষ। আমি যা শুনি সরল মনে তাই বিশ্বাস করি। যে মানুষ বছরে ৩৬৪ দিন বোকা-সোকা সে বছরের আরেকটি দিন বেশী বোকা হলে তেমন কোন ক্ষতি হয় না। কিন্তু সমস্যা হয় বুদ্ধিমান্ লোকদের। তাদের থাকে সবার সামনে বোকা হবার আশঙ্কা। দিন তারিখ ভুলে অতি চালাক মানুষেরাও মাঝে মাঝে রীতিমত এপ্রিল ফুল বনে যায়।
সবাইকে এপ্রিল মাসের বোকা বানাতে অরকুট এক দিনের জন্য তাদের সাইটের নাম পরিবর্তন করে Orkut থেকে yogurt করে ছিল। এতটা বিশ্বাসযোগ্য ভাবে যে আইআইটি থেকে পাশ করা এক ভারতীয় বন্ধু এমএসএনে বলেছিল, “ জানিস অরকূট কি করেছে?”
আমি না জানার ভান করে বলি, “ কেন, কি করেছে?”,
“অরকুট আজ থেকে তাদের সাইটের নাম অরকুট থেকে ইয়োগার্ট করে ফেলেছে।”
আমি হতাশ হয়ে বলি, “দোস্ত আজকে তারিখ কত রে?”
তবে গত বছর গুগলের প্রাঙ্ক এদের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে । তারা সারা বিশ্বে মুক্ত ইন্টারনেট দেবার কথা বলেছিল। নিজের বাসায় বসে মুক্ত ব্রডব্যান্ড। সেখানে ছিল আপনি সাইন আপ করবেন। গুগল আপনার বাসায় একটা মডেম পাঠাবে, একটা ফাইবার কেবল পাঠাবে। আপনার যা করতে হবে তা হল আপনার টাট্টিখানার কমোডে সেই কেবল ছেড়ে দিবেন আর তাতেই আপনার কম্পিউটার ইন্টারনেট চলে আসবে। বোধবুদ্ধিসম্পন্ন যে কোন মানুষ বুঝতে পারবে এটা একটি নিছক রসিকতা। কিন্তু জাতীয় দৈনিক (ইত্তেফাকে তথ্যপ্রযুক্তি) পাতায় একজন সাংবাদিক দেখি লাল কলামে গুগলের মুক্ত ব্রডব্যান্ড দেবার খবর নিয়ে ছবি সহ বিশাল সংবাদ হয়ে গেছে। সামহোয়ার ব্লগে একজন প্রখ্যাত পণ্ডিত ব্লগার এই নিয়ে গুরু গম্ভীর পোষ্ট দিয়েছেন। মন্তব্য জবাবী লিখেছেন আমেরিকা থাকলে মডেম আসতে এক সপ্তাহ লাগতে পারে বাংলাদেশে হলে একটু সময় বেশি লাগবে। হাসতে হাসতে আমার দম বন্ধ হবার উপক্রম।
এই সব তুলনায় টুইটারে বন্ধুর স্ট্যাটাস অনেকটা বিশ্বাসযোগ্য। মজিলা সাইটে উঁকি মেরে দেখলাম আসলে বন্ধু মোটেই রসিকতা করছে না। একেবারে সিরিয়াস। একদিনে সর্বাধিক ডাউনলোডকৃত সফটওয়ার হিসেবে ফায়ারফক্স গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন করার পরিকল্পনা করছে। ফায়ারফক্স নতুন ভার্সনের মুক্তির প্রথম দিনটি “ডাউনলোড ডে” পালন করবে। প্রথম চব্বিশ ঘণ্টায় সবাইকে এক কপি করে ফায়ারফক্স ডাউনলোড করতে অনুরোধ করেছে। মজিলা বেশ রসকষ দিয়েই লিখেছে, “it’s that easy. We're not asking you to swallow a sword or to balance 30 spoons on your face, although that would be kind of awesome.” (কি বুদ্ধি। এমন বুদ্ধি মাইক্রোফট, ইয়াহু কারো আসল না কেন? আফসোস! )
জনপ্রিয় ব্রাউজার ফায়ারফক্সের ভক্ত আমি কোন কালেই ছিলাম না। সেই মোগল আমলে স্কুল জীবনে Netscape Navigator ব্যবহার করতাম। ১৯৯৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত অন্য সবার মত Internet Explorer। “দেখি ত কেমন ব্রাউজার” কৌতূহলী হয়ে হঠাৎ Avant Browser ডাউনলোড করেছিলাম। প্রথম দর্শনেই প্রেমে পড়ে গেলাম। সেই থেকে এখনো Avant ব্যবহার করি। ব্রাউজার নিয়মিত আপডেট করি। মাঝে মাঝেই Opera, Firefox থেকে শুরু করে এপেল সাফারি, Flock সব কিছুই ব্যবহার করেছি কিন্তু এভান্টের মত মজা আর তৃপ্তি কোথাও পাই নি।
মজিলা ফায়ারফক্স কবে বিশ্ব-রেকর্ড করতে চায় সেই দিনক্ষণ পরিষ্কার করে কিছু বলছে না। আগে তারিখ ঠিক করে তারপরে বিশ্বরেকর্ড গড়ার কথা বলাই কি উচিত না? একেবারে বলে দিলেই হয় অমুক তারিখ রিলিজ হবে আগ্রহীরা এসে ডাউনলোড করে নাও। তা নয় শুধুমাত্র তারিখ জানতেই নিজের দেশ আর মেইল ঠিকানা দিয়ে আবেদন করতে হবে। ওরা মেইল করে পরে দিনক্ষণ জানাবে। এমন অভিনব বিজ্ঞাপন পন্থা দেখে চমৎকৃত হলাম। বিশ্বের মানচিত্র দেখছি আমেরিকার থেকে প্রায় দুই শত, অষ্টেলিয়ার থেকে ৫ জন আর বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ আবেদন করে নি।
ফায়ারফক্স নতুন ভার্সন ছাড়লেই যে ইণ্টারনেট ব্যবহারকারী সবাই চোখ বন্ধ করে ইনস্টল করা শুরু করবে না সেটা মোজিলাও জানে। আমি নিজেও কোন সফটওয়ার পিসিতে ইনষ্টল করার আগে ডাউনলোড ডটকমে খুব ভাল ভাবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের রিভিউ পড়ে তবেই ইনষ্টল করি। আবার অনেকেই দেখি কোন কারণ ছাড়াই ভার্সন 2.0 বা 3.0 থেকে 2.0.1 বা 3.1 বা 3.0.1 নামাতে পছন্দ করে। কারণ যতই আলফা বিটা করুক প্রথম রিলিজে বাগ থাকতে বাধ্য। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেখানে নতুন মডেলের আইপড পর্যন্ত দোকানে আসার আগের দুই তিন দিন আগেই কিন্তু সেই দোকানে নতুন হরেক রকম কভার, নতুন মডেলের জন্য প্রয়োজনীয় Accessories সব কিছুই কিন্তু বাজারে চলে আসে। ব্রাউজার ব্যাপারটাও এখন অনেকটা এই রকম। স্বতন্ত্র ব্রাউজার এখন আর কেউ ব্যবহার করে না। এর সাথে ব্যবহার করি হরেক রকম প্রয়োজনীয় এ্যাডঅন। মুক্তির আগে তাই তৈরি করে রাখতে হয় তার জন্য হরেক রকম ব্রাউজার এ্যাড অন। বিভিন্ন এ্যাড অন যেমন গুগল টুলবার, স্ট্যাম্বলআপন টুলবার নানা স্ক্রিন, থিম আরো অনেক কিছু। কিন্তু এইগুলো বেশীর ভাগিত থার্ড পার্টি আপ্লিকেশন। এই সব কিছু না থাকলে শুধুমাত্র ফায়ারফক্স ভার্সন কে ব্যবহার করতে চাইবে?
একদিনে সর্বাধিকারী ডাউনলোডকৃত সফটওয়ার হিসেবে বিশ্ব-রেকর্ড মত অভিনব রেকর্ড আগে কোন দিন শুনি নি। গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিশ্চয়ই চারটি খানি কথা নয়। বিশ্ব-রেকর্ড গড়তে আগে অফিসিয়ালি আবেদন করতে হয়, গিনেজ বুক থেকে নির্বাচিত বিচারক থাকে। তারা পরীক্ষা করে দেখবে আসলে রেকর্ড হয়েছে কিনা। অনুমোদন দিলেই তবে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস থেকে অথেনটিক সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। বুঝতে পারছেন আর যাই হোক বিশ্ব-রেকর্ড গড়া বিশাল একটা ব্যাপার।
এই নিয়ে একটা মজার কাহিনী বলি। তখন সবে মাত্র এখানে এসেছি। যাই দেখি তাতেই একেবারে একেবারে মুগ্ধ। একটা গ্রামের মাঝে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছি হঠাৎ রাস্তার পাশে দেখি বড় করে লেখা পৃথিবীর সব থেকে বড় পানি টেঙ্কি। আমি আগ্রহ নিয়ে ব্যাক গিয়ার করে গাড়ি পেছন নিলাম। বিশাল সাইনবোর্ড স্পষ্ট করে লেখা Place of Interest সাইন দিয়ে তীর চিহ্ন দেওয়া এই দিকে দুই কিমি দূরে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত পৃথিবীর সব থেকে বড় পানির টেঙ্কি। আমি আমার পাশে বসা মিশেলকে বলি চল দেইখা আসি। জীবন আর কিছু না হোক অন্তত নাতি পুঁতিকে বলতে পারব আর কিছু না পারি সব থেকে বড় পানির পৃথিবীর টেঙ্কি অন্তত দেখেছি। মিশেলের খুব একটা উৎসাহ দেখলাম না। চোখ পাকিয়ে বলল এটা দেখার কি আছে? আমি বললাম অবশ্যই আছে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বলে কথা। যাক অম্প কিছুক্ষণ গাড়ি চালিয়ে একটা ছোট ফার্মে চলে আসলাম। এখানে আর যে কোন দশটা খামার বাড়ি মতোই। বাড়ির সামনেই মাঝারি আকারের পানির টেঙ্কি। এমনকি আমাদের চট্রগ্রামে বাড়ির সামনের ডিসী হিলের পানির ট্যাঙ্কির চেয়েও ছোট। এখানেও বোর্ডে বড় করে লেখা গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত পৃথিবীর সব থেকে বড় এবং উঁচু পানির টেঙ্কি। কিন্তু নিচে ব্র্যাকেট ছোট করে লেখা কাঠের তৈরি তিন খুঁটিওয়ালা। এবার পুর বিষয়টি পরিষ্কার হল। আমার মাথায় ঢুকছে না ইট সিমেন্ট , কনক্রিট, স্টীল এত কিছু থাকতে কাঠের পিলারে তৈরি পানির টেঙ্কি কেন বানানো দরকার? হয়ত সারা বিশ্বে এটাই একমাত্র তেপায়া কাঠের খুঁটী দিয়ে বানানো পানির টেঙ্কি সুতরাং ৫০ বিলয়ন লিটার হোক আর ৫০ লিটার হোক এটাই হবে রেকর্ড।
তাই যেহেতু এমন কোন রেকর্ড আগে হয়নি তাই ফায়ারফক্স চব্বিশ ঘণ্টায় পাঁচ মিলিয়ন কপি ডাউনলোড হলেও এটা নতুন বিশ্ব রেকর্ড পাঁচ কপি ডাঊনলোড হলেও এটা নতুন বিশ্ব রেকর্ড। মজিলাও একি সাথে ফায়ারফক্সের প্রচারণা করল আর চামতালে একটা ফাউ ফাউ বিশ্ব রেকর্ড করে ফেলল। ট্যাগ লাইন এখন আছে পুরস্কার বিজয়ী ব্রাউজার দুই দিন পড়ে নতুন ট্যাগ লাইন হবে বিশ্ব রেকর্ডধারী ব্রাউজার। হায়রে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস!
2 টি মন্তব্য
ফায়ারফক্সের বিশ্ব রেকর্ড এবং কিছু কথা
তারিখ:
5/28/2008
অনুসন্ধান
বিভাগ
- একুশে ফেব্রুয়ারী (2)
- কবিতা (5)
- ক্রিকেট (6)
- গান (2)
- চলচ্চিত্র (2)
- ছেলেবেলা (5)
- ছোট গল্প (5)
- প্রবাস জীবন (12)
- প্রযুক্তি (5)
- বাংলাদেশ (8)
- ভ্রমন কাহিনী (3)
- মুক্তিযুদ্ধ (7)
সাম্প্রতিক পোষ্ট
সাম্প্রতিক মন্তব্য
- ইরতেজা ভাই, আপনার সাইটটি দারুণ লাগলো! চমৎকার সাজিয়... - মুকুল
- hello. - Nuzrah Jamal
- ইরতেজা ভাই, নতুন লেখা কই ? - toxoid_toxaemia
- ওহে বালক! আমার url তো দেয়া আছে! :P: P - রাশেদ
- আর পরের পর্ব! :( - রাশেদ
পূর্ববর্তী লেখা






2 টি মন্তব্য:
সহমত, ফায়ারফক্সের বিশ্বরেকর্ড ছেলেমানুষী অনেকেরই ভাল লাগেনি।
কিন্তু আমার কিন্তু মোটেও খারাপ লাগেনি, বরং মার্কেটিং এর উজ্জল দৃষ্টান্ত মনে হয়েছে। আপনি আভান্ট, ফ্লক এর উদাহরণ দিলেন... এদের কিন্তু নিজস্ব ব্রাউজিং ইঞ্জিন নেই। ফ্লক খোদ ফায়ারফক্স ভিত্তিক, এবং আভান্ট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ভিত্তিক। একটা স্বতন্ত্র ইঞ্জিনহীন ব্রাউজার কিভাবে ফায়ারফক্সের তুলনা হতে পারে সেটা কিছুতেই আমার বোধগম্য হল না। :o
আভান্টের কোন ফিচারটি আপনি ফায়ারফক্সে চান? সবগুলোই এনে দেয়া যাবে, এমনকি আভান্টের চেয়ে আরও কার্যকরীভাবে ফিচারগুলো ব্যবহার করা যাবে। ফায়ারফক্সের পুরোনো সংস্করণে বেশি এ্যাড-অন ইন্সটল করলে সমস্যা হত বা ক্র্যাশ করত। নতুন ফায়ারফক্স ৩ এ বহু এ্যাড অন একসাথে চালালেও পারফরমেন্সে খুব একটা সমস্যা হবে না।
তবে সবকিছু ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় কথা হল: ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বা আভান্ট কোনটিই ফ্রি ব্রাউজার নয়। কেন নয়? আপনি পাইরেটেড উইন্ডোজে আইই৭ ইন্সটলের চেষ্টা করে দেখুনতো কাজ হয় কিনা। হ্যাঁ ক্র্যাকের সাহায্যে অবশ্যই চালানো সম্ভব, কিন্তু সেটি বৈধ নয়।
একজন সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসাবে আপনি নিশ্চয়ই লিনাক্সের কথা শুনে থাকবেন। মাত্র কয়েক বছর আগে থেকে শুরু হয় ডেস্কটপ লিনাক্সের জয়যাত্রা, সেই থেকে এখন পর্যন্ত অভাবনীয় দ্রুতগতিতে উন্নতি হচ্ছে লিনাক্সের। ম্যাক না হোক, উইন্ডোজকে ছাড়িয়ে যেতে লিনাক্সের আর দু'বছরের বেশি সময় লাগবে না, এটি আমি বাজী ধরে বলতে পারি। আর.. সকল আধুনিক লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনেই ডিফল্ট ব্রাউজার হিসাবে ব্যবহার করা হয় মোজিলা ফায়ারফক্স, কারণ এর সোর্সকোড উন্মুক্ত, এবং বিনামূল্যে পরিবর্তনযোগ্য।
যাইহোক, বিশাল রচনা লিখে ফেললাম। :-D আশা করি এখন বুঝতে পারবেন, কেন মোজিলা ফায়ারফক্স বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার। পারফরমেন্স/স্ট্যাবিলিটি সবকিছুই এড়িয়ে গেলাম, মুক্তসোর্সই হচ্ছে ফায়ারফক্সের প্রধান হাতিয়ার! :-)
hello.
আপনার মন্তব্য লিখুন
কিছু এইচটিএমএল কোড ব্যবহার করতে পারেন।